আজ থেকে সাতক্ষীরায় বাগান থেকে আম সংগ্রহ ও বাজারজাতকরণ শুরু করেছে ব্যবসায়ীরা

প্রকাশিত: ১১:২৯ অপরাহ্ণ, মে ৫, ২০২২ | আপডেট: ১১:৩২:অপরাহ্ণ, মে ৫, ২০২২

আজ থেকে সাতক্ষীরায় জেলাব্যাপী গোবিন্দভোগ গাছ থেকে আম ভাঙা শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা। প্রথম ধাপে বাগান থেকে পরিপক্ক আম সংগ্রহ ও বাজারজাত কার্যক্রম শুরু হয়েছে।  প্রথম দিন শহরের সুলতানপুর বড়বাজারে কাঁচা আম বিক্রি হয়েছে কেজি প্রতি ৬৫ টাকা ও প্রতিমন কাঁচা  আম ২ হাজার ৬০০ টাকা দরে। 

সোহাগ মাল্টিমিডিয়া এন্ড ট্র্যাভেলস

জেলা প্রশাসন জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের আগে যদি কোনো ব্যবসায়ী বা চাষি অপরিপক্ক আম গাছ থেকে পেড়ে কার্বাইড দিয়ে বাজারজাত করার চেষ্টা করে তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

আজ (৫ মে) বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সাতক্ষীরা জেলার প্রতিটি আম বাগান থেকে প্রথম পর্যায়ে আমচাষীদেরকে গোবিন্দভোগ, গোপালভোগ, বোম্বাই, গোলাপখাস ও বৈশাখীসহ কয়েক প্রজাতির আম পাড়ার অনুমতি দিয়েছে সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসন।

আম ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসনের নিদের্শনা অনুযায়ী পরবর্তি ধাপে পর্যায়ক্রমে আগামি ১৬ মে হিমসাগর, ২৪ মে ল্যাংড়া ও ১ জুন তারিখে আম্রপালি আম সংগ্রহ ও বাজারজাত করা যাবে। প্রথম দিন শহরের সুলতানপুর বড়বাজারে কাঁচা আম বিক্রি হয়েছে কেজি প্রতি ৬৫ টাকা ও প্রতিমন কাঁচা  আম ২ হাজার ৬০০ টাকা দরে।

এদিকে, গত ২৭ মার্চ সরকারি কর্মকর্তা ও আম ব্যবসায়ীদের নিয়ে মতবিনিময় সভায় জেলায় আম ভাঙার সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয় জেলা প্রশাসন। সেখানে ৫ মে গোবিন্দভোগ, গোপালভোগ, বোম্বায়, ক্ষীরশাপাতি, গোলাপখাস ও বৈশাখীসহ অন্যান্য স্থানীয় জাতের আম, ১৬ মে হিমসাগর, ২৪ মে ল্যাংড়া ও পহেলা জুন আম্রপালি আম ভেঙে বাজারে তোলার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সাতক্ষীরার খামারবাড়ি জানায়, গত বছর ৪ হাজার ১১০ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছিল। চলতি বছর ৪ হাজার ১১৫ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে। আবাদ বাড়লেও এ বছর ৫০ ভাগ গাছেই আসেনি আমের মুকুল। জেলায় ৫ হাজার ২৯৯টি আমবাগান ও ১৩ হাজার আমচাষি রয়েছে।

সাতক্ষীরার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ির উপ-পরিচালক নুরুল ইসলাম জানান, চলতি বছর জেলায় আমের ফলন খুব কম হয়েছে। ৫০ ভাগ গাছে মুকুল আসেনি। বৃষ্টির কারণে আমচাষিরা খুব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এ বছর।

তিনি বলেন, নিরাপদ আম বাজারকারণ বিষয়ক সভার মাধ্যমে গাছ থেকে পরিপক্ক আম ভাঙার জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে,সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের মুহাম্মদ হুমায়ন কবির জানান, নির্ধারিত সময়ের আগে যদি কোন ব্যবসায়ী বা চাষী অপরিপক্ক আম পেড়ে বাজারজাত করেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

এসজি/ডেক্স


আপনার মতামত লিখুন :

নিজস্ব প্রতিবেদক। ডেক্স