মোংলা বন্দরের নাব্যতা রক্ষা করতে না পারলে সকল উন্নয়ন-আধুনিকতা ভেস্তে যাবে

প্রকাশিত: ৮:৫১ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ২৯, ২০২১ | আপডেট: ৮:৫১:পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ২৯, ২০২১

মোংলা বন্দরের সকল আধুনিকতা ও উন্নয়নের অন্তরায় হয়ে দেখা দিয়েছে এর নাব্যতা সংকট।শুকনো মৌসুম এলে এর তীব্রতা আরো ঘনিভুত হয়।বন্দরের প্রবেশ চ্যানেলে ভরাট হয়ে যাওয়া সহ অসংখ্য ডুবোচর এ যেন যুগ যুগ ধরে অভিশাপের মত বন্দরের কাঁধে চেপে বসেছে।এর থেকে পরিত্রানের টেকসই পথ খুঁজতে হবে।বন্দরচ্যানেল ড্রেজিং ও তা দ্রুত ভরাট হয়ে যাওয়া থেকে মু্ক্তি পেতে আরো আধুনিক নিরাময় ব্যবস্থা খুঁজতে হবে। এছাড়াও বন্দরের চ্যানেলে ডুবন্ত নৌযানের দ্রুত অপসান না করায় জেগে ওঠা অসংখ্য ডুবোচর যেন আর এক গুপ্ত ঘাতক।

 

মোংলা বন্দরের হাড়বাড়িয়া থেকে শুরু করে বন্দর চ্যানেল অভিমুখে সেই স্বাধীনতা পরবর্তী অসংখ্য জাহাজ ডুবির কোন পরিসংখ্যান না থাকায় এবং বড় ধরনের ক্যাপিটাল ড্রেজিং না করায় নাব্যতা সংকট দীর্ঘসূত্রিতায় পড়ে আছে যুগ যুগ ব্যাপি, কখনো কিছু ড্রেজিং করা হলেও তা অপ্রতুল এবং তা বন্দরের নব্যতা সংকট দূরিকরণে যথেষ্ট নয়।বন্দরের চ্যানেলগুলো পর্যাপ্ত ড্রেজিং না করে যতই আধুনিকায়নের আওতায় আনা হোক না কেন তা কোন কাঙ্খিত সাফল্য বয়ে আনবেনা বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

গত এক বছরে বন্দরে বেশ কয়েকটি নৌযান ডুবির ঘটনা ঘটেছে,যাতে মালামালের সহ প্রণহানি হয়েছে ব্যপক। যার অধিকাংশই ডুবোচরের কারনে। এই ডুবোচরের অভিশাপ মোংলা বন্দরের দীর্ঘদিনের । পরিবেশবিদ ও নদী বিশেষজ্ঞদের মতে বন্দরে যতসামান্ন ড্রেজিংই এর জন্য দায়ি। নদীর মূল তলদেশ অবধি না পৌছে ড্রেজিং করার ফলে অসংখ্য ডুবন্ত জাহাজ লুকানো থাকতে পারে যার কারনে আবার চরের সৃষ্টি হচ্ছে।এভাবে বছরের পর বছর এ ড্রেজিং যেন ঘাটে বেঁধে নৌকা বাওয়ার মতই কোনদিই যার কিনারায় পৌছানো যায়না।

 

মোংলা বন্দর এখন বেশ লাভজনক হয়ে উঠেছে অর্থনীতির দিক দিয়ে এটা বিশেষ ভুমিকা রাখছে যেহেতু সেহেতু এর দিকে সরকারকে বিশেষ নজর দেয়া উচিৎ। বন্দরে পন্য পরিবহন করা নৌযান গুলো যেন ফিটনেস বিহীন না হয়।চালক যেন দক্ষ হয়। এছাড়াও বন্দরের নিজস্ব পাইলট যারা বিদেশী জাহাজকে দেশের বন্দরমুখে প্রবেশ করান তাদেরকেও আরো দক্ষ করে তুলতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

ম.ম. রবি ডাকুয়া। প্রতিবেদক। বাগেরহাট, খুলনা