কেশবপুরে উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে হেলেপড়া গাছ মৃত্যুফাঁদে পরিণত

প্রকাশিত: ২:২২ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৩, ২০২১ | আপডেট: ২:২২:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৩, ২০২১
কেশবপুরে উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের আঘাতে যশোরের কেশবপুরের পাঁজিয়া ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপর উপড়ে পড়া গাছ এখন রোগীদের নিকট আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় ১ বছর অতিবাহিত হলেও ওই হেলে পড়া গাছ অপসারণ না করায় ঝুঁকির ভেতর রোগীদের স্বাস্থ্য সেবা নিতে আসতে হয় এ কেন্দ্রে। হেলে পড়া ও কেন্দ্রের সামনে মরে যাওয়া গাছ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে মৃত্যুফাঁদে পরিণত হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

কেশবপুরের পাঁজিয়া ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার হাদিউর রহমান সিয়াম বলেন, ২০২০ সালে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের আঘাতে দুটি শিরিশ গাছ উপড়ে ভবনের উপর পড়ে। এছাড়া কেন্দ্রের সামনে আরও ৩টি গাছ মরে গেছে। এ কারণে গাছ এবং ভবনটিও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। হাসপাতালে আসা রোগীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

পাঁজিয়া গ্রামের বাসিন্দা কানাই লাল ও গড়ভাঙ্গা গ্রামের আলেয়া বেগম বলেন, স্বাস্থ্য সেবা নিতে গেলে ওই কেন্দ্রের উপর হেলে পড়া ও মরা গাছের পাশ দিয়ে যাতায়াতে ভয় লাগে। মরা গাছ ভেঙ্গে পড়ে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

পাঁজিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মুকুল বলেন, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপর হেলে পড়া গাছের নীচ দিয়ে রোগীদের যাতায়াতে আতঙ্কের সৃষ্টি হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা সমন্বয় সভায় উত্থাপন করেন। ইতিমধ্যে বন বিভাগ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ওই গাছসহ ভবনটিও এখন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

এ ব্যাপারে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আলমগীর হোসেন বলেন, বন বিভাগের মাধ্যমে দ্রুত হেলেপড়া গাছ অপসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

মশিয়ার রহমান। নিজস্ব প্রতিবেদক। কেশবপুর, যশোর