পাইকগাছায় এবার গ্রাম পুলিশ নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করলেন ইউএনও

প্রকাশিত: ২:০৮ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২৪, ২০২১ | আপডেট: ২:০৮:পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২৪, ২০২১

পাইকগাছায় শিক্ষকের পর এবার গ্রাম পুলিশ নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী। শনিবার শারিরীক ফিটনেস, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে গ্রাম পুলিশ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

উল্লেখ্য, অত্র উপজেলায় ২০ জন গ্রাম পুলিশের পদ দীর্ঘদিন শূন্য ছিল। ফলে গ্রামের আইন শৃংখলা পরিস্থিতি ও ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। যার ফলে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সহ এলাকাবাসী গ্রাম পুলিশের শূন্য পদে নিয়োগের দাবী জানিয়ে আসছিল। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির সভায় উত্থাপিত হলে দ্রুত সময়ের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী শূন্য পদে দরখাস্ত আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। যার নিয়োগ পরীক্ষা ছিল শনিবার। যাচাই বাছাই শেষে ২০ শূন্য পদে ৬২জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। নিয়োগে কোন প্রকার অনিয়ম না হয় এবং শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে থানার ওসি, মেডিকেল কর্মকর্তা, আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রার্থীদের শারিরীক ফিটনেস, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা সম্পন্ন করে গ্রাম পুলিশ নিয়োগে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেন। এর আগেও তিনি একাধিক শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে ভূয়সী প্রশংসিত হন।

অন্যান্য নিয়োগের ক্ষেত্রে এ ধরণের নিয়োগ প্রক্রিয়া অনুকরণীয় হতে পারে বলে মন্তব্য করেন অনেকেই। আগামীতেও এলাকার প্রতিটি নিয়োগের ক্ষেত্রে এভাবে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলে প্রকৃত যোগ্য ও মেধাবীরা মূল্যায়িত হবেন বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

আমিনুল ইসলাম বজলু। নিজস্ব প্রতিবেদক। পাইকগাছা, খুলনা