নৌকা প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করুন: শাহীন চাকলাদার

প্রকাশিত: ৯:৩৬ অপরাহ্ণ, মার্চ ২০, ২০২০ | আপডেট: ৯:৩৬:অপরাহ্ণ, মার্চ ২০, ২০২০

মশিয়ার রহমান, কেশবপুর(যশোর):
জাতীয় সংসদীয় আসন ৯০ এর যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে উপ-নির্বাচন আগামী ২৯ মার্চ। এ আসনের উপ-নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শাহীন চাকলাদারকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে পথসভা অব্যাহত রয়েছে। কেশবপুর উপজেলার পরচক্রা বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে পথসভায় প্রধান অতিথি যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার বলেছেন, কেশবপুরের উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে নৌকা প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করুন। আওয়ামী লীগ উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। জনগণকে ভালবাসা দিয়ে নৌকা প্রতীকে ভোট নিতে হবে। স্বস্তি ও শান্তির জন্য নৌকা প্রতীকের বিকল্প কিছু নেই।

নৌকা প্রতীকের গণজোয়ারে বিএনপি জামায়াত আজ দিশেহারা। আওয়ামী লীগ একটি প্রতিষ্ঠিত দল। সংগঠন শক্তিশালী হলে দল শক্তিশালী হয়। অতীতে কি ঘটেছে আর কি হয়েছে তা আমি দেখতে চাই না। আগামী ২৯ মার্চ যশোর-৬ কেশবপুর সংসদীয় আসনে উপ-নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে নৌকায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগের বিজয় সুনিশ্চিত করতে হবে। সকল দ্বিধা দ¦ন্দ্ব ভুলে গিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নৌকা প্রতীকের জন্য কাজ করতে হবে। কেশবপুর উপ-নির্বাচনে কোন প্রকার ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। শুক্রবার সন্ধ্যায় পরচক্রা বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সভাপতি শিক্ষাবীদ মাস্টার এস এম রুহুল আমীন, কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক গাজী গোলাম মোস্তফা, যশোর জেলা আওয়ামীগের সাংগঠণিক সম্পাদক ও পেীর মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু, সহ-সভাপতি ও কেশবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি ও কেশবপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এইচ এম আমীর হোসেন, কেশবপুর পৌরসভার মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম মোড়ল, পৌর আওয়ামী লীগের আহবায়ক অ্যাডভোকেট মিলন মিত্র, বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, সাবেক এমপি আব্দূল হালিম, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এ.কে.এম খয়রাত হোসেন, কেশবপুর উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী রাবেয়া ইকবাল, যশোর জেলা সাংগঠণিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, মনিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক প্রভাষক ফারুক হোসেন, উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহবায়ক ও পৌর আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল হোসেন খান, যশোর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা চেয়ারম্যান শাহারুল ইসলাম, মনিরামপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমা খানম, আওয়ামী লীগ নেতা ও হিজলডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ মশিয়ুর রহমান, কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত, কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মফিজুর রহমান মফিজ, জেলা পরিষদের সদস্য সোহরাব হোসেন, পৌর যুবলীগের আহবায়ক কার্তকি সাহা, আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সরদার মুনসুর আলী, শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব মিত্র, ত্রিমোহিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা আনিসুর রহমান আনিস, পাঁজিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মুকুল, পাঁজিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক চেয়ারম্যান ইয়ার মাহমুদ, যুবলীগের আহবায়ক বি এম শহিদুজ্জামান শহিদ, মনোজ তরফদার, শহিদুজ্জামান শাহিন, মশিয়ার রহমান দফাদার, উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক কাজী মুজাহিদুল ইসলাম পান্না, সাহরিয়ার রায়হান সান্টু, ছাত্রলীগের আহবায়ক কাজী আজহারুল ইসলাম মানিক, পৌর আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ, আবুল বাসার খান, যুবলীগ নেতা টিপু সুলতান, সেলিম রেজা, সাজ্জাদ হোসেন, আল হেলাল সরদার, ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম হোসেনসহ মহিলা আওয়ামী লীগের ফতেমা খাতুন, খাদিজা খাতুন, হীরা খাতুনসহ আওয়ামী লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগের নেতা কর্মীরা।

সুন্দরবনটাইমস.কম/ডেক্স

 


আপনার মতামত লিখুন :

নিজস্ব প্রতিবেদক